পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

love

একজন ছাত্র তার টিচারকে জিজ্ঞেস করলো, ''ভালবাসা কি?'' শিক্ষক বললো,''আমি তোমার উত্তর দেব, কিন্তু তার আগে তোমাকে একটি কাজ করতে হবে। আমাদের স্কুলের সামনে যে ভুট্টার ক্ষেত আছে তুমি সেখানে যাও এবং সবচেয়ে বড় ভুট্টাটি নিয়ে ফিরে এসো।'' ''কিন্তু একটা শর্ত আছে,তুমি সবচেয়ে বড় ভুট্টাটি খুঁজ়ে নিয়ে আসবে এবং খুঁজতে খুঁজতে যে ভুট্টাটি পেছনে ফেলে গেছ তা আর নিতে পারবে না'' ছাত্রটি মাঠে গেল এবং ভুট্টার ক্ষেতের প্রথম সারিতে খোঁজা শুরু করলো। সেই সারিতে একটা বড় ভুট্টা ছিল কিন্তু সে ভাবলো...হয়তো সামনের সারিতে আরো বড় কোন ভুট্টা তার জন্য অপেক্ষা করছে। পরে,যখন সে মাঠের অর্ধেকের বেশি খোঁজা শেষ করলো তখন বুঝতে পারলো এদিকের ভুট্টাগুলো ঠিক অতটা বড় নয় যতটা বড় সে আগেই খুঁজে পেয়েছিল। ছাত্রটি বুঝলো যে সবচেয়ে বড় ভুট্টাটি সে পেছনেই ফেলে এসেছে এবং এজন্য তার অনুশোচনার শেষ থাকলো না। তাই সে খোঁজা বাদ দিয়ে খালি হাতে টিচারের কাছে ফিরে এল। টিচার তাকে বললো,''....এটাই ভালবাসা....তুমি হয়তো জীবনে কাউকে খুঁজে পেয়েছো, কিন্তু তবু আরো ভাল কাউকে প...

dhora si

মোবাইলের রিংটোন বেজে উঠতেই ঘুম জড়ানো চোখে স্ক্রিনে তাকাতেই অপরিচিত নাম্বার মেজাজ চরম খারাপ গেল । রাত দুপুরে ঘুমের তেরটা বাজানো আজাইরা পাবলিকের ১৪গুষ্টি উদ্ধার করতে করতে রিসিভ করে হ্যালো বলতেই মুমু বেশ উত্তেজিত কন্ঠে বলল, ‘ঐ, গন্ডারের মত ঘুমিয়ে আছিস। আর এদিকে লঙ্কাকান্ড হয়ে গেছে। ১০মিনিটের মধ্যে বাসার সামনে যদি না আসিস কালকে তোর খবর আছে কইলাম! বললাম, ‘লঙ্কাকান্ডকেন ভূমিকম্পে যদি বাসার ছাদও ভেঙে পড়ে আমি বিছানা ছাড়ছিনা।’ প্রায় মাঝরাতে আমাকে দেখার শখ জাগে মুমুর। যখনি দেখার ইচ্ছা হয় নতুন নাম্বার ঢুকিয়ে একেকসময় একেক বাহনা করে কল করে। আর আমাকে কাঁচা ঘুম থেকে উঠে গিয়ে ওদের বাসার সামনের ল্যাম্পপোষ্টের নিচে কয়েক রাউন্ড চক্কর লাগাতে হয়! কপালে যাই থাকুক কাল দেখা যাবে! লাইন কেটে দিয়ে মোবাইলের সুইচ অফ করে দিলাম ঘুম! সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তাশেষ করে বাসা থেকে বের হয়েদেখি মুমুরিক্সা থেকে নামছে। আমাকে দেখেই আবার রিক্সায় চড়ে বসে বলল, ‘আমার লক্ষী জানুটাকে, সোনা মানিকটাকে অনেক অনেক ফ্রেশ দেখাচ্ছে। বেশ ভাল ঘুম হয়েছে তাই না টিয়া পাখি? রিক্সায় উঠে আস কলিজার টুকর...

joks

মন্ত্রী আবুল হোসেন সাহেব এমপি হোস্টেলের সরকারী নাপিতের কাছে চুল কাটাতে গেছেন। তো নাপিত তাকে জিজ্ঞেস করলোঃ “স্যার,পদ্মা সেতু নিয়ে কি হল! আপনাকে সবাই দোষ দিচ্ছে!“ আবুল সাহেব রেগে বললেনঃ “তুই ব্যাটা নাপিত! চুল কাটার সময় এতো কথা কেন বলিস?” নাপিত জবাব দিলঃ “ সরি স্যার। আমি তো এমনি ই জিজ্ঞেস করি!“ পরেরদিন সুরঞ্জিত সাহেব এসেছেন চুল কাটাতে নাপিত তাকে জিজ্ঞেস করলোঃ “স্যার রেলে কিরকম কেলেঙ্কারি হয়ে গ েলো ।“ সুরঞ্জিত সাহেবও রেগে গেলেন “এতো কিছু জানার কি দরকার তোর??” নাপিত বললোঃ “ সরি স্যার। এমনিই মুখ ফসকে বের হয়ে গেছে!” পরেরদিন ডিবি পুলিশ এসে নাপিতকে ধরে নিয়ে গেলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগলো... ডিবিঃ “তুমি কি বিরোধী দলের এজেন্ট?” নাপিতঃ “না স্যার” ডিবিঃ “তুমি কি ভারতের এজেন্ট?” নাপিতঃ “না স্যার” ডিবিঃ “পাকিস্তানের এজেন্ট?” নাপিতঃ “না স্যার” ডিবিঃ “তাহলে তুমি মন্ত্রী সাহেবদেরকে পদ্মা সেতুর দুর্নীতি, রেল কেলেঙ্কারি এসব নিয়ে কেন জিজ্ঞেস করেছ??” নাপিতঃ “কারণ স্যার পদ্মা সেতুর দুর্নীতি, রেল কেলেঙ্কারি এসব নিয়ে কথা বললে মন্ত্রী সাহেবদের চুল খাঁড়া হয়ে যায়। আর আমারও চুল ক...

তৃষ্ণাই নেই!

একে একে সবারই বিয়ে হয়ে গেছে; কিন্তু মোকলেসটা কিছুতেই বিয়ে করছে না। ব্যাপারটা নিয়ে সবাই পেরেশান। এমনই এক দিনের কথা। মোকলেসের বন্ধু তবারক মিয়াকে ডেকে মোকলেসের মা বললেন, 'বাবা, তুমি তোমার বন্ধুকে একটু বোঝাও। আমার একমাত্র ছেলে যদি বিয়ে না করে তাহলে বংশ রক্ষা করবে কে?' মোকলেসের মায়ের মর্মস্পর্শী বক্তব্য শোনার পর তবারক মিয়া ঠিক করলেন তিনি মোকলেসকে এবার যেভাবেই হোক বিয়ে করিয়ে ছাড়বেন। যেমন ভাবা তেমন কাজ। এক বিকেলে মোকলেসকে নিজের বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে তবারক মিয়া বললেন, 'এবার একটা বিয়ে কর। বিয়ে করার অনেক সুবিধা। বউ যখন বাসায় থাকবে তখন অফিস থেকে ফিরে দেখবি টেবিলে খাবার রেডি। খানা নিয়ে আর কোনো চিন্তা করতে হবে না।' মোকলেস কপাল কুঁচকে জবাব দিলেন, 'আমি তো রাতে বাইরে থেকে খেয়ে আসি। আমার টেবিলে খাবার রাখার জন্য কাউকে দরকার নেই।' তবারক হারবার পাত্র নন। তিনি বললেন, 'আচ্ছা বেশ, মনে কর অর্ধেক গোসল করার পর মনে পড়ল তুই বাথরুমে তোয়ালে আনিসনি। বউ থাকলে তুই সহজেই সেটা চেয়ে নিতে পারবি।' মোকলেস বললেন, 'এমনটা কখনোই হয় না, কারণ আমার বাথরুমে সব সময় তোয়ালে থাকে।' ম...

ghura rongo

একটু পরই শুরু হবে ঘোড়দৌড়! এমন সময় দেখা গেল এক জকি তাঁর ঘোড়াকে কী যেন খাওয়াচ্ছেন। দেখেই এক নিরাপত্তাকর্মী ছুটে এলেন। রাগতস্বরে বললেন, ‘হেই! আপনি আপনার ঘোড়াকে কোনো শক্তিবর্ধক মাদক খাওয়াচ্ছেন না তো?’ জকি বললেন, ‘না, না! এটা একটা চকলেট। নিন নিন, আপনিও খান। এই দেখুন, আমিও খাচ্ছি। এটা একটা সাধারণ চকলেট ছাড়া কিছুই না।’ নিরাপত্তারক্ষী জকির দেওয়া চকলেটসদৃশ বস্তুটা মুখে দিলেন। বললেন, ‘হু, চকলেটই তো মনে হচ্ছে। ঠিক আছে।’ নিরাপত্তারক্ষী চলে গেলেন। জকি এবার ফিসফিস করে তাঁর ঘোড়ার কানে কানে বললেন, ‘এখন দৌড়ে তোকে কেউ হারাতে পারবে না। শুধু আমি আর ওই নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া!’  সরদারজি ঘোড়ার পিঠে চাপলেন। ঘোড়া ছুটতে শুরু করল। প্রথম প্রথম মজাই পাচ্ছিলেন সরদারজি। কিন্তু কিছুক্ষণ পর যখন ঘোড়ার দৌড়ের বেগ বেড়ে গেল, ঘাবড়ে গেলেন তিনি। ঘোড়ার গলা আঁকড়ে ধরলেন, তাতেও খুব একটা সুবিধা করতে পারলেন না। এদিকে এই দৃশ্য দেখে তারস্বরে চেঁচাতে শুরু করলেন সরদারজির স্ত্রী, ‘বাঁচাও! বাঁচাও! কে কোথায় আছ, আমার স্বামীকে বাঁচাও!’ সরদারজি ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গেলেন! কোনোমতে গলা জড়িয়ে ধরে ঝুলে থাকলেন। চিৎকার করে কাঁদতে লাগল...

waitig

আগামী নভেম্বরে আমার ৩৩ বছর পূর্ণ হবে। শুনেছি, পুরুষদের জন্য এই বয়সটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের লোকজন আমার বিয়ের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। যেন বেঁধে দেওয়া সময়সূচি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না করলেই নয়। বয়স তো কম হয়নি। একটা মানুষ বাঁচেই তো বড়জোর ৬০ কিংবা ৭০। আমি এসবের ধার ধারি না। আমার এককথা, ‘আর কিছুদিন যাক।’ যারা জানার অধিকার রাখে, তারা কতবার জানতে চেয়েছে। কারও অপেক্ষায় আছি কি না? আমি চুপ থেকেছি। মুখফুটে কিচ্ছু বলিনি। এসব বলতে আমার কেমন জানি লজ্জা লজ্জা লাগে! একজন আছে, আমার দুই চোখের মধ্যমণি। হূদয়ের সবটুকুই তার দখলে। একজন মানুষ যতটুকু ভালোবাসতে পারে, আমি ভালোবেসেছি তার চেয়েও একটু বেশিই। সে তো আমার কাছে দেবীতুল্য। দেবীর আসনে বসিয়ে তাকে পূজা দিই সারাক্ষণ। তার চরণ তলে ভালোবাসার নৈবেদ্য বিছাই। অন্যত্র আমার বিয়ের কথা শুনলেই তার দুই চোখ অশ্রুতে ঝাপসা হয়ে আসে। কাঁদতে কাঁদতে বেহুঁশ হয়। কিন্তু কাউকে বুঝতে দেয় না। আমি ঠিকই বুঝতে পারি। পারি বলেই তো পরিবারের সব চেষ্টা ভেস্তে যায়, আমাকে রাজি করাতে পারে না। আমরা দুজন অনেক আগেই অদৃশ্য এক সাত পাকে বাঁধা পড়ে আছি। আমার কাছে ও-ই শ্রেষ্ঠ নারী।...

pramer golpo